সপ্তাহের সেরা

    আখ্যাত রচনা

    প্রবাচউ-কার ও ঊ-কারের ব্যবহার

    উ-কার ও ঊ-কারের ব্যবহার

    বাংলা বর্ণমালায় হ্রস্ব-উ ও দীর্ঘ-ঊ থাকলেও (যেমন কুল, কূল, দুর, দূর) উচ্চারণে এদের হ্রস্বতা বা দীর্ঘতা সংস্কৃতের মতো, যথাযথ রক্ষিত হয় না। এ জন্য উ-কার ও ঊ-কারজনিত বানান বিভ্রাট হয়ে থাকে। তবে কিছু নিয়ম জেনে রাখলে এ সংক্রান্ত বাধা অনেকটা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

    ১। বানানে উ-ধ্বনিতে কেবল উ-কার

    ১.১। দ্বিরাবৃত্ত শব্দের উ-ধ্বনিতে সর্বত্রই উ-কার যেমন— কাটাকুটি, খুনোখুনি, খোলাখুলি, জোরাজুরি, পুরোপুরি, কোনাকুনি, ঝুলোঝুলি, খোঁজাখুঁজি।

    ১.২। বিদেশাগত শব্দের উ- ধ্বনিতে সর্বত্রই উ- কার; যেমন— কবুল, কানুন, হুকুম, খুন, খুব, বুনিয়াদ, মজুর, কুত্তা, গুণ্ডা, মুদি, কুকার, ডেপুটি, পুলিশ, স্কুল, কার্তুজ, কুপন, কুলি, লুচি, লুঙ্গি, চুক্তি, পুঁতি, হুন্ডি, সুইচ।

    ১.৩। তদ্ভব ও দেশজ শব্দের উ-ধ্বনিতে সর্বত্র উ-কার; যেমন— কুলো, ঘুড়ি, নতুন, পুবালি, কুয়ো, তুলো, পুজো, মুলো, সুতো, ধুলো, রুপো, ফুর্তি।

    লক্ষণীয় যে তদ্ভব শব্দে উ-কার হলেও তৎসম শব্দে যথারীতি ঊ- কার হয়ে থাকে, যেমন— নূতন, ধূলি, পূজা, পূর্ব, মূলা, রূপ, সূত্র, স্ফূর্তি । অর্থাৎ ধূলি থেকে ধুলো। পূজা থেকে পুজো। মূলা থেকে মুলো।

    ১.৪। ক্রিয়াবাচক শব্দ ও ক্রিয়ারূপের উ- ধ্বনিতে সর্বত্র উ- কার ( ক্রিয়াবাচক শব্দ); যেমন— উড়া, ছুটা, বুঝা, উপড়ানো, মুচড়ানো, খুঁজা, ঢুকা, ঘুমানো, পুড়া, জুড়ানো, শুকানো।

    ক্রিয়ার রূপ : আসুন, বসুন, করুন, তুলুন, ভাবুন, আসুক, বসুক, তুলুক, ভাবুক।

    ২. শব্দের শেষ বর্ণে উ-কার ও ঊ-কার

    বাংলা ভাষার কয়েকটিমাত্র তৎসম শব্দের শেষ বর্ণে ঊ- কার হয়। যেমন— প্রতিভূ, শ্বশ্রূ, স্বয়ম্ভূ, কদ্রূ, চম্পূ, মরুভূ, প্রসূ, খলপূ, চমূ। এখন এদের কয়েকটির ব্যবহার নাই। অন্যদিকে কোনো কোনোটি পরপদ হিসেবে আরও কিছু সমাসবদ্ধ শব্দ তৈরি করে। যেমন— ফলপ্রসূ, স্বর্ণপ্রসূ, বীরপ্রসূ, ক্রিয়াপ্রসূ।

    নকল নবিস
    নকল নবিসhttp://www.jegeachi.com
    নকল নবিস ব্যক্তি বিশেষ নয়, খোদ ‘জেগে আছি’র সম্পাদকীয় দপ্তর। অজ্ঞাত উৎসের লেখা সমূহ নকল ও সম্পাদনা করে ‘জেগে আছি’তে প্রকাশ করাই ‘নকল নবিসে’র কাজ। প্রয়োজন আইন মানে না, নকল নবিসও প্রয়োজনের পূজারী।

    ষত্ববিধি

    আজ মান্তু হাতে করে একটা চিঠি এনে হাজির। - দাদু, মৃন্ময় কাকু তোমাকে চিঠি লিখেছেন, এই নাও। আচ্ছা, কাকু তোমাকে চিঠিতে 'শ্রীচরণেষু' বলে সম্ভাষণ করেন...

    ণত্ববিধি

    বুতান বলল, 'দাদু, তুমিও তো দেখছি ভুল বানান লিখছ। এগুলোকেই বোধ হয়' স্লিপ অফ পেন' বলে? - তা ভুল বানান যে না লিখি তা নয়।...

    বাংলা বানানের নিয়ম কানুন

    লক্ষ, লক্ষ্য, লক্ষ্যণীয় এই শব্দগুলোর বানান লিখতে গিয়ে আমাদের প্রায়ই ভুল হয়ে যায়। 'লক্ষ' লিখতে গিয়ে 'লক্ষ্য' লিখে ফেলি আবার এর উল্টোটাও কখনও কখনও হয়ে...

    বানান ও উচ্চারণ, কে কার অনুগামী হবে?

    উচ্চারণ অভিধানগুলোতে ব্যঞ্জনবর্ণের লুপ্ত অ-কে ও দিয়ে চিহ্নিত করা হয়, বানান থেকে হসন্ত বিলুপ্ত করার প্রয়াসেই এই নূতন সমস্যার সৃষ্টি। সকলেই জানে ব্যঞ্জন বর্ণের মধ্যে...

    লেখক অমনিবাস

    চার্লি চ্যাপলিন

    ১৯৭২ সালে ৮৩ বছর বয়সে যখন অস্কার নিতে মঞ্চে ওঠেন, টানা বারো মিনিট হাততালির ঝড় বয়ে যায় অস্কার মঞ্চে। অস্কারের ইতিহাসে সেটাই ছিল দীর্ঘতম...

    কবিয়াল বিজয় সরকার

    কবিয়াল বিজয়কৃষ্ণ সরকার একজন কবিয়াল, কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার, সুরকার ও চারণ কবি। জন্ম ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯০৩ সালে নড়াইলের ডুমদী গ্রামে। তাঁর প্রকৃত নাম বিজয় কৃষ্ণ অধিকারী। কবি...

    ক্ষিতিমোহন সেন

    ক্ষিতিমোহন সেন ছিলেন একাধারে শিক্ষাবিদ, লেখক ও সংগ্রাহক । ১৮৮০ সালের ২ ডিসেম্বর কাশীতে তাঁর জন্ম ৷ কিন্তু তাঁদের আদি নিবাস ছিল ঢাকার বিক্রমপুরে।...

    বৃটিশের আতঙ্ক : শান্তি ও সুনীতি

    অত্যাচারী ইংরেজদের কাছে টেরর - "শান্তি ও সুনীতি" মাত্র ১৫ বছরের মধ্যে দু'জনে এমন কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেছিলেন, যাতে আতঙ্ক ঢুকে গেছিল ইংরেজ শাসকের...

    হরিকেলের রৌপ্যমুদ্রা

    হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ। খ্রিস্টীয় ‘সপ্তম শতকের’ প্রাচীন ভারতীয় লেখকগণ পূর্বভারতীয় একটি অঞ্চলকে হরিকেল বলে উল্লেখ করেন। তৎকালীন হরিকেল জনপদটি বর্তমান বাংলাদেশের চট্টগ্রাম,...

    হৈমন্তী শুক্লা

    ওগো বৃষ্টি আমার চোখের পাতা ছুঁয়ো না; কিংবা আমার বলার কিছু ছিল না— এসব কালজয়ী গানের অন্যতম কণ্ঠশিল্পী হৈমন্তী শুক্লা। উপমহাদেশের আধুনিক বাংলা গানের কিংবদন্তী শিল্পী...

    এই বিভাগে